Logo
Logo
TV
ব্রেকিং নিউজঃ
Friday 16th April 2021
জাতীয়
সব বাধা পেরিয়ে অনন্য বাংলাদেশ
 SUNNEWSBD.COM
 Publish: 27-Mar-2021

সব বাধা পেরিয়ে অনন্য বাংলাদেশ



সাননিউজবিডি ডটকম, জাতীয়।। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উন্নয়নের আলোচনায় মর্যাদার আসনে

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক হলিস বি. শেনারি ১৯৭৩ সালে বলেছিলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১২৫ বছর। এর অর্ধেক সময়ও অপেক্ষা করতে হয়নি। স্বাধীনতার ৪০ বছরে ২০১১ সালে এদেশের মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় ৯২৮ ডলারে। গত বছর তা ২০০০ ডলার ছাড়িয়েছে। ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৮৮ ডলার।

১৯৭৬ সালে অর্থনীতিবিদ জাস্ট ফালান্ড এবং জন রিচার্ড পারকিনসন 'বাংলাদেশ :দ্য টেস্ট কেস ফর ডেভেলপমেন্ট' গ্রন্থে লিখেছিলেন, উন্নয়ন প্রত্যয়টি যদি বাংলাদেশে সফল হয়, তাহলে পৃথিবীর সব জায়গায় সফল হবে। উন্নয়নের 'টেস্ট কেস' নামে আলোচনায় আসা দেশটি সব বাধা পেরিয়ে এখন উন্নয়নের উদাহরণ হিসেবে বিশ্বে মর্যাদার আসনে। বাংলাদেশ এখন পৃথিবীর অন্যতম দ্রুততম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশ। বিশ্বব্যাংকের শ্রেণিকরণে ২০১৫ সালে নিম্ন-আয় থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পর সম্প্রতি জাতিসংঘের কাছ থেকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হওয়ার সুপারিশ পেয়েছে। আর্থসামজিক উন্নয়নে অনন্য সব অর্জন নিয়ে স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করছে বাংলাদেশ।

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ, দারিদ্র্য পরিস্থিতি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে 'বাস্কেট কেস' আখ্যা দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দেশটি বৈদেশিক ঋণ ফেরত দিতে পারবে না। তার আশঙ্কাও ভুল প্রমাণ হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ পৃথিবীতে ঋণ পরিশোধে সফল দেশগুলোর অন্যতম। গর্বের বিষয় হলো, কিসিঞ্জারের দেশেরই বড় সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসের স্বনামধন্য কলাম লেখক নিকোলাস ক্রিস্টফ সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে দারিদ্র্য বিমোচনের উপায় জানতে বাংলাদেশের কাছ শিক্ষা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রেরই আরেক জনপ্রিয় দৈনিক ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল কয়েকদিন আগে লিখেছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে 'তেজি ষাঁড়'। ওয়াশিংটন পোস্টের ভাষ্যকার মাইক বার্ড লিখেছেন, একসময় দক্ষিণ কোরিয়াকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে উদাহরণ দেওয়া হতো। এখন সেই স্থান বাংলাদেশের।

উন্নয়নের সূচকে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি তার ভিত্তি রচনা করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের পর ঘোষণা করেন, মাটি ও মানুষকে কাজে লাগিয়ে তিনি এদেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তর করবেন। সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও তাদের জীবনমানের উন্নতির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

স্বাধীনতার আগের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ১ দশমিক ৯ শতাংশ। এ সময়ে পশ্চিম পাকিস্তানে প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৭ শতাংশ। ষাটের দশকে এ ব্যবধান আরও বেড়ে যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার দশকে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৩ শতাংশ। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা ৮ দশমিক ১৫ শতাংশে পৌঁছায়। করোনার কারণে গত অর্থবছরে (২০১৯-২০) প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে যায়। অবশ্য পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে করোনার বছরে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি না হয়ে সংকোচন হয়েছে। বাংলাদেশে যতটুকু প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তা পৃথিবীতে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন সমকালকে বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের যাত্রা মসৃণ ছিল না। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ একটি দরিদ্র ও বৈচিত্র্যহীন অর্থনীতি হাতে পায়। আগে থেকেই এ অঞ্চলের অর্থনীতি ছিল কৃষিপ্রধান এবং উৎপাদনশীলতা ছিল খুব কম। শিল্প ও সেবা খাত ছিল খুব অনুন্নত। এর সঙ্গে ছিল দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা এবং দুর্বল অবকাঠামো। এসব বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও বাংলাদেশ গত পাঁচ দশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে নাটকীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিভিন্নভাবে জনগণের সামাজিক জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দারিদ্র্য কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। মানুষের আয়ুস্কাল অনেক বেড়েছে। আশির দশকের তুলনায় মাতৃমৃত্যুর হার প্রায় ৪ গুণ এবং শিশু মৃত্যুর হার কমেছে প্রায় ৫ গুণ। এ ছাড়া আরও অনেক দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। ৫০ বছরে এসে দেশের এসব অর্জন অবশ্যই গৌরবের।

ফাহমিদা খাতুন অবশ্য মনে করেন, বাংলাদেশের অনেক অগ্রগতি হলেও তার ফল সমানভাবে বণ্টিত হয়নি। একটি সমতাভিত্তিক ও ন্যায্য সমাজ গঠনের প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ রয়ে গেছে। আয় ও সম্পদের বৈষম্য বেড়ে গেছে এবং সমাজের কিছু লোকের কাছে সম্পদ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যদি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়, তাহলে সবাই উন্নয়নের সুফল পান। ফলে আগামীতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় জনগণের বেশিরভাগ অংশের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ৫০ বছরের অর্জনকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারে।

দারিদ্র্য বিমোচন: দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি আলোচিত। শত বাধার মুখেও উল্লেখযোগ্য হারে দারিদ্র্য হ্রাসে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে সম্মান জানাতে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবসে বাংলাদেশে আসেন বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ১৯৭৩-৭৪ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্য পরিস্থিতির প্রথম হিসাব করা হয়। ওই সময় দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৮২ শতাংশ। সর্বশেষ প্রকাশিত খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী ২০১৬ সালে দারিদ্র্যের হার দাঁড়ায় ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। এর ভিত্তিতে ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের প্রাক্কলিত হার ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। কভিডের কারণে গত বছর দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি হয়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপ বলছে, এর অনেকটাই এখন পুনরুদ্ধার হয়েছে।

অন্যান্য সামাজিক সূচক: নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তার 'ভারত :উন্নয়ন ও বঞ্চনা' গ্রন্থে লিখেছেন, বাংলাদেশ সামাজিক উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাবে, এ কথা কেউ ভাবেনি। দেশ স্বাধীনের পর অনেকেই তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কেউ কেউ তাকে 'বাস্কেট কেস' বলে খরচের খাতায় ফেলে দিয়ে বলেছিলেন, এ দেশকে কোনো অর্থনৈতিক সাহায্য দেওয়াই উচিত নয়। কারণ, সে জনসংখ্যা বিস্ম্ফোরণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খাদ্য উৎপাদন করে উঠতে পারবে না। এই গ্রন্থে তুলনামূলক আলোচনায় অমর্ত্য সেন বলেছেন, জীবনমানের নানা সুপ্রচলিত মাপকাঠিতে বাংলাদেশ কেবল ভারতের চেয়ে অনেক ভালো করছে না, অনেকটা এগিয়েও গেছে। অনেক সামাজিক সূচক, যেমন- গড় আয়ু, শিশুমৃত্যুর হার, টিকা দেওয়ার মাত্রা, সন্তান প্রজননের হার এবং এমনকি স্কুলশিক্ষার কিছু মাপকাঠিতে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে।

পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের গড় আয়ু ছিল ৪৭ বছর। গড় আয়ু এখন ৭২ বছরের বেশি। ২০১৯ সালে প্রতি ১ হাজার জীবিত জন্ম নেওয়া শিশুর মধ্যে ২১ জনের মৃত্যু হয়। ১৯৭৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৫৩ জন। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০ বছর আগে ১৯৯১ সালে মাতৃমৃত্যুর ( প্রতি হাজার জীবিত শিশুর জন্মে) অনুপাত ছিল ৪ দশমিক ৮, যা ২০১৯ সালে ১ দশমিক ৬৫-এ নেমেছে। বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ২০১৯ সালের হিসাবে ৭৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

উন্নয়নের নতুন যাত্রা: বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের শ্রেণীকরণে ২০১৫ সালের ১ জুলাই নিম্ন আয় থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক উন্নতির কারণে বাংলাদেশ এ তালিকায় আসে। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্য বলে স্বীকৃতি দেয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ওই কমিটি বাংলাদেশকে উত্তরণের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে। মাথাপিছু আয়ের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য সামাজিক সূচকে উন্নতি এবং অর্থনীতির টিকে থাকার সক্ষমতার বিচারে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের যোগ্য মনে করছে জাতিসংঘ। ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে ভারত, চীন, মালয়েশিয়ার মতো এলডিসি নয় এমন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাবে বাংলাদেশ।

গত বছর বিখ্যাত সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট ৬৬টি সবল অর্থনীতির তালিকা প্রকাশ করে, যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজির অনেক সূচক অর্জন করে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কাড়ে বাংলাদেশ। এমডিজিতে ২০১৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হারে কমাতে বাংলাদেশ সক্ষম হয়। এমডিজি অর্জনের জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ।

কাঠামোগত রূপান্তর: বাংলাদেশ ছিল কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষিপ্রধান থেকে শিল্প ও সেবাপ্রধান অর্থনীতিতে উত্তরণ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আধুনিকায়ন এনেছে। এখন জিডিপিতে কৃষির অংশ ১৩ শতাংশ। শিল্প এবং সেবার অংশ যথাক্রমে ৩৫ ও ৫২ শতাংশ। ১৯৭৫-৭৬ সালে বাংলাদেশ মাত্র ৩৮০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। তৈরি তৈরি পোশাক খাতের বিকাশের মাধ্যমে রপ্তানি খাত এগিয়ে গেছে দ্রুতগতিতে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।

চ্যালেঞ্জ: অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, উন্নয়নের নতুন স্তরে পৌঁছে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সঠিক নীতি ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্যে অগ্রাধিকার সুবিধা অনেক কমে যাবে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হলে ইইউর বাজারে ২০২৯ সাল পর্যন্ত বর্তমানের শুল্ক্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। ইইউর বাইরে অন্যান্য দেশে ২০২৬ সালের পর শুল্ক্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে না। এ কারণে আগামী ৫ বছরের উত্তরণকালীন সময়ের প্রস্তুতি বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই উত্তরণের জন্য এসডিজি, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সঙ্গে সমন্বয় করে শক্তিশালী কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পরামর্শ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা। সার্বিকভাবে আগামী দিনের অগ্রগতির জন্য স্থানীয় বাজার এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান বাড়ানো, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্নীতি কমানো, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং সর্বোপরি সম্পদ ও আয়বৈষম্য কমাতে বিশেষ নজর দেওয়ার সুপারিশ উঠে আসছে বিভিন্ন আলোচনায়।





এমদাদুল ইসলাম ( ইনতা )
সম্পাদক
সাননিউজবিডি ডটকম




এখানে আরও খবর রয়েছে





তারিখ অনুযায়ী খবর দেখুনঃ



Design & Developed By: VARSOFT.INFO
Cell: +8801511 566665